বিনোদন By admin | Published : Mon, Mar 21st, 2016

৪ বছর প্রেম করার পর ছেলেটিকে বলতে বাধ্য হলাম…

চার বছর প্রেম করার পর ছেলেটিকে আমি বলতে বাধ্য হলাম চলো পালিয়ে বিয়ে করি কারণ আমার কোন গতি ছিল না। আমার পিঠ দেয়ালে ঠেকে গিয়েছিলো।

আমি কলেজে যাবার পথে প্রিন্স অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতো আমার দিকে। কিছুই বলতো না ছেলেটি। দেখতে প্রিন্সের মতই সুন্দর। কিছু দিন এভাবে যাওয়ার পর প্রিন্স আমাকে সরাসরি প্রপোজ করে বসে। প্রথম দিকে তাকে পাত্তা দেয়নি কিন্তু ছেলেটার সুমধুর কথাবার্তা আর মায়াবী চোখের চাহনিতে আমাকে তাকে ভালবাসতে বাধ্য করে। প্রিন্সের যাদুকারী প্রভাব আমাকে মন্ত্র মুগ্ধ করে রাখে। প্রিন্সকে ছাড়া এখন আমি কিছুই ভাবতে পারি না। কিন্তু তখনই সমস্যা বাধলো যখন আমার বাবা মা আমার জন্য বিয়ের পাত্র ঠিক করলো। পাত্র একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করে, নম্র ভদ্র এবং ঢাকাতে তাদের নিজেস্ব বাড়ি আছে। আমি কখনই বাবার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারি না , প্রচণ্ড রাগী এবং বদমেজাজী আমার বাবা। সূবর্নার বাবা কখনোই সুবর্নার অমঙ্গল চায়নি। তাদের গর্ভের ধন অনেক কষ্টে লালিত পালিত সন্তানকে কখনোই অসুখী দেখতে চায় না। সুবর্না এই বিয়েতে কিছুতেই রাজি না, সে ভালবাসে প্রিন্সকে তাকে ছাড়া কাউকে স্বামী বলে ভাবতে পারেনা। বুকে সাহস সঞ্চয় করে সুবর্না কথা বলে তার বাবা সাথে। ছোট্ট একটি চাকরি করেন আমজাদ সাহেব শুক্রবার তাই ব্যালকনিতে চেয়ারে বসে পেপার পড়ছেন। চোখের উপরে কাগজ অথচ সে হারিয়ে গেছে তার অতীতে। তাদের প্রথম সন্তান সুবর্না।

ছোট্ট একটি বাবু ছিল, সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখত যেন একটি জীবন্ত খেলনা। সেই মেয়েটার প্রতি তার যে কি পরিমাণ ভালবাসা সে তাকে বুঝাতে পারেনা। সেই ছোট্টো বাবুটা কখন যে বড় হয়ে গেল সে টেরই পেলনা। আর কিছুদিন পর মেয়েটির বিয়ে, ভাবতেই বুকের ভিতর একটা চাপা কষ্ট অনুভব করেন আমজাদ সাহেব। ঠিক সেই সময় তার সামনে হাজির হয় সুবর্না।

– বাবা তুমি কি খুব ব্যস্ত

– নারে মা । তুই কি কিছু বলবি

– হ্যা বাবা তোমার সাথে কিছু কথা ছিল

– হ্যা বল মা তোর সাথে অনেক দিন কথা হয় না। তুই তো আমার সামনে আসতেই চাস না । আনেক বড় হয়ে গেছিস বুঝি মেয়েরটার বিয়ে হয়ে যাবে তাই মেয়ের সাথে মোলায়েম সুরে কথা বলে আমজাদ সাহেব

– না মানে,,, তোমাকে মা কিছু বলেছে কিনা আমি জানি না। বাবা আমি একটি ছেলে কে ভালবাসি তাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করতে চাই না।

This Post Has Been Viewed 44 Times