খেলাধুলা By admin | Published : Sun, Apr 10th, 2016

বাংলাদেশের প্রশংসা করে চাকরীচ্যুত হলেন হার্শা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ধারাভাষ্যে শোনা যাবে না ভারতের জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার  হার্শা ভোগলের কণ্ঠ। আইপিএলের শুরু থেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সাথে ছিলেন ৫৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেট বিশ্লেষক।
টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েকদিন আগে হার্শা ভোগলেকে এই ব্যাপারে জানানো হয়। ব্যাপারটা খুবই চাঞ্চল্যকর কারণ নবম আসরের নিলাম অনুষ্ঠানও পরিচালনা করেন তিনি। তবে হার্শা ভোগলের বাদ পড়া নিয়ে বিসিসিআই সচিব অনুরাগ ঠাকুর বা আইপিএল চেয়ারম্যান রাজিব শুক্লা কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বোর্ডের এক সিনিয়র সদস্য বলেন, “ধারাভাষ্যকারদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আমরা সবার মতামত নেই। আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা মন্তব্য গুলো মাথায় রাখি। খেলোয়াড়দেরও সেখানে বলার সুযোগ থাকে”।
ভোগলে নিজে অবশ্য জানিয়েছেন, বাদ পড়ার কারণটা তিনি নিজেও জানেন না। ভারতের দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে এ ব্যাপারে তিনি বলেন, “আমাকে কেউ কিছুই জানায়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে এখন অবধি আমাকে কোন ব্যাখ্যা নেয়া হয়নি। শুধু বলা হয়েছে এটা বিসিসিআইয়ের ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত”।
এই নিয়ে টুইটারে তিনি লিখেছেন, “আবার আইপিএলের অংশ হতে পারলে ভালো লাগতো। আসলে এর সাথেই ছিলাম। প্রিয় টুর্নামেন্ট। আশা করি আইপিএল-৯ ব্লকবাস্টার হবে।”
তবে ধারণা করা হচ্ছে সম্প্রতি শেষ হওয়া টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেনে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করাই ভোগলের বাদ পরার মূল কারণ। এই ম্যাচে ভারতের চেয়েও বেশি বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন হার্শা ভোগলে। সেকারণেই এবারের আইপিএলের আসরে তার সঙ্গে চুক্তি করেনি বিসিসিআই।
ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের পর বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চনের একটি টুইট ভোগলেকে বাদ দেয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছিল। টুইটারে অমিতাভ লিখেছিলেন ,“আমাদের ধারাভাষ্যকারদের উচিত প্রতিপক্ষদের চেয়ে নিজেদের খেলোয়াড়দের নিয়ে বেশি কথা বলা”।এরপর সেই টুইটটি  শেয়ার দিয়েছিলেন ভারতের টি টোয়েন্টি অধিনায়ক মহেন্দ্রা সিং ধোনি। এরপর পরই এই টুইট নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠে।

This Post Has Been Viewed 21 Times